Posts

দ্বাদশ জ্যোতিলঙ্গ অন্যতম ঘৃষ্ণেশ্বর মন্দিরের কথা জানুন

Image
ঘৃষ্ণেশ্বর জ্যোতিলিঙ্গ মন্দির বা ঘুশ্মেশ্বর জ্যোতিলিঙ্গ মন্দির হল হিন্দু দেবতা শিবের পবিত্রতম বারোটি জ্যোতির্লিঙ্গ মন্দিরের অন্যতম। এটি ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের আওরঙ্গাবাদ থেকে ৩০ কিলোমিটার এবং দৌলতাবাদ (দেবগিরি) থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে ইলোরা গুহার কাছে অবস্থিত। শিবপুরাণের কোটিরুদ্র সংহিতার ৩২ ও ৩৩তম অধ্যায়ে এই জ্যোতির্লিঙ্গের উল্লেখ পাওয়া যায়। ⚜মন্দির⚜ মন্দিরের গাত্র-অলংকরণে প্রাগৈতিহাসিক মন্দির প্রথা ও প্রাগৈতিহাসিক স্থাপত্যশৈলীর মিশ্রণ দেখা যায়। মন্দিরে রক্ষিত শিলালিপিটি এখানকার পর্যটকদের কাছে একটি বিশেষ আকর্ষণ। মন্দিরটি লাল পাথরের তৈরি। এতে পাঁচটি চূড়া দেখা যায়। বর্তমান মন্দিরটি অষ্টাদশ শতাব্দীতে নির্মিত। এর গাতে হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি খোদিত আছে। ⚜ইতিহাস⚜ কথিত আছে, বেরুলের শিবভক্ত উপজাতি-প্রধান ঘৃষ্ণেশ্বরের কৃপায় এখানে গুপ্তধনখুঁজে পেয়েছিলেন। এই টাকায় তিনি মন্দিরটির সংস্কার করান ও শিখরসিঙ্গনপুরে একটি হ্রদ প্রতিষ্ঠা করেন। গৌতমীবাল (বায়জাবাই) ও অহল্যাবাই হোলকারও ঘৃষ্ণেশ্বরের মন্দির সংস্কার করিয়েছিলেন। মন্দিরের উপরে লাল পাথরে দশাবতারের মূর্তি খোদিত হয়েছে। দরবার কক...

অম্বুবাচী মাতা কামাখ্যা সম্পর্কে অজানা কিছু কথা

Image
রহস্যময়  মাতা  কামরুপ কামাখ্যার কথা অনেকে হয়তো জানেন না,তাদের জন্য আমার এই লিখা🖋️🖋️ [আগেই বলে রাখছি, যদি সত্যিই ধর্মকে বি শ্বাস করেন, তাহলে ছবি নিয়ে কোন বির্তকে জুড়বেন না, যদি না জেনে থাকেন, তাহলে জেনে নেবেন। যদি জানতে না চান, এড়িয়ে যাবেন  ] অম্বুবাচীতে মা কামাখ্যার পূজা করা হয়। কামাখ্যা মন্দির একটি সুবিখ্যাত অতি প্রাচীন মন্দির। ভারতের আসাম রাজ্যের গুয়াহাটির নীলাচল পাহাড়ে এটি অবস্থিত। এখানে আদিশক্তি বা মা কামাখ্যার যোনী পূজা করা হয়। তন্ত্রশক্তির আরেক পীঠস্থান বলা যায় এটাকে। প্রতিবছর অম্বুবাচী মেলায়  প্রচুর লোক আসে দেশ বিদেশ থেকে। এবং মা কামাখ্যার অদ্ভুত শক্তির জন্য ৫১ শক্তি পীঠের মধ্যে অন্যতম শক্তিপীঠ এই কামাখ্যা মন্দির। কালিকাপুরাণ অনুযায়ী  মাতা সতীর পিতা দক্ষরাজ একটি যজ্ঞ আয়োজন করেছিলেন, সেখানে দক্ষরাজ সতী এবং মহাদেব শিবকে আমন্ত্রণ না জানালে এবংশিবের অপমান করলে তা সহ্য করতে করতে না পেরে মাতা সতী সেই যজ্ঞে দেহত্যাগ করেন। আর মহাদেব তা সহ্য করতে না পেরে মাতা সতীকে কাঁধে নিয়ে তুমুল নৃত্য করতে থাকে। তখন পুরো বিশ্বমন্ডল কাঁপতে থাকে। সেইসময় সমস্ত দেবতা...